মাল্টিমিডিয়া ৫০ হাজার ক্লাসরুম ॥ স্কুল কলেজ মাদ্রাসায়ঃ

মাল্টিমিডিয়া ৫০ হাজার ক্লাসরুম ॥ স্কুল কলেজ মাদ্রাসায়ঃ বিভাষ বাড়ৈ ॥

জাতীয় শিৰানীতি ও ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন আর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে পাল্টে যাচ্ছে শিৰা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী কৰের ধরন। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) শিক্ষায় শিক্ষিত করা, শ্রেণী শিক্ষণ আকর্ষণীয় করা এবং শহর ও গ্রামের শিৰার বৈষম্য দূর করার লৰ্য সামনে রেখে নেয়া হয়েছে বিশাল উদ্যোগ। লক্ষ বাস্তবায়নে দেশের ৩১ হাজার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় সরবরাহ করা হচ্ছে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ এ সংক্রান্ত সকল শিক্ষা উপকরণ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণী শিক্ষণকে আধুনিক করার উদ্যোগের পর এবার বিদ্যুত আছে এমন ২০ হাজার ৫০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম তৈরির প্রকল্পও চূড়ানত্ম। কেবল তাই নয়, বিদু্যতবিহীন ৭ হাজার ৪১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় সোলার প্যানেল তৈরি করে প্রতিষ্ঠা করা হবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী বছরের (২০১২) ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই ৩১ হাজার সরকারী-বেসরকারী শিৰা প্রতিষ্ঠানে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ এ সংক্রান্ত সকল শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করবে সরকার। ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিৰা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিৰা অধিদফতর এবং প্রাথমিক ও গণশিৰা মন্ত্রণালয় পুরো প্রক্রিয়া বাসত্মবায়ন করতে হাতে নিয়েছে বেশ কয়েকটি প্রকল্প। ৪৬০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাসত্মবায়িত হবে সরকারের নিজস্ব অথর্ায়নে। সরকারী ও বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার মধ্যে যেগুলোতে বিদু্যত সংযোগ আছে সেগুলোতে আইসিটি শিৰা উপাদান সরবরাহ করা হবে।

অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিৰা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতি উপজেলায় গড়ে কমপৰে ২০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (যেগুলোতে বিদু্যত সংযোগ আছে) আইসিটি শিৰা উপকরণ সরবরাহ করা হবে। শিৰা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয়া কাজে সরকারের ব্যয় হবে ৩০৬ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে 'ইনট্রুডাকশন অব আইসিটি এট সেকেন্ডারি এ্যান্ড হায়ার সেকেন্ডারি লেভেল'। সরকারের এ উদ্যোগের মধ্যে আছে শিৰকদের প্রশিৰণও। শিৰা প্রতিষ্ঠানে যারা এই বিষয়ে শিৰার্থীদের বোঝাবেন সেই শিৰকদের জন্য প্রকল্পে আছে প্রশিৰনের ব্যবস্থা। মাধ্যমিকের নবম ও দশম শ্রেণী ও উচ্চ মাধ্যমিক শিৰা সত্মরে বর্তমানে কম্পিউটার শিৰা ঐচ্ছিক (অপশনাল) বিষয় হিসেবে চালু আছে। আইসিটি প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বিদ্যালয়ের কমপৰে একজন কম্পিউটার বিষয়ের শিৰককে দেয়া হবে প্রশিৰণ। দেশের ১০ হাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ করা হবে। জানা গেছে, এ বিষয়ে একটি ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রসত্মাবনা) প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিৰা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাসত্মবায়নাধীন এই প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে 'আইসিটি স্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ইন প্রাইমারি স্কুল'। এই প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৫০ কোটি টাকা। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রাথমিক শিৰা সত্মরের এই প্রকল্প বাসত্মবায়ন করা হবে। আছে মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তথ্য প্রযুক্তি শিৰার সুযোগ। শিশু শিৰাথর্ীদের কাছে পাঠদান আরও আকর্ষণীয় ও প্রযুক্তির প্রতি শিশু শিৰাথর্ীদের আগ্রহ বৃদ্ধিতে দেশের ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়েও ১টি করে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিৰা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। চলতি বছরেই সবকটি মডেল বিদ্যালয়ে আইসিটি শিৰা উপকরণ পেঁৗছে যাবে বলে আশাবাদী প্রাথমিক শিৰার সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারের উর্ধতন কর্মকর্তারা।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিৰা মন্ত্রণালয়ের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় শিৰা প্রতিষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। শিৰাথর্ীদের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সমর্্পকে দৰ করে গড়ে তুলতেই হবে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সব মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১০ হাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া ও অন্যান্য শিৰা উপকরণ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। পযর্ায়ক্রমে বেসরকারী বিদ্যালয়েও এসব উপকরণ সরবরাহ করা হবে।


এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণী শিৰণকে আধুনিক করার উদ্যোগই কেবল নয় একই সঙ্গে অত্যাধুনিক হচ্ছে সরকারী বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার শ্রেণী কৰ। বিদু্যত আছে এমন ২০ হাজার ৫০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরম্নম তৈরির প্রকল্পও চূড়ানত্ম। কেবল তাই নয়, বিদু্যতবিহীন ৭ হাজার ৪১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় সোলার প্যানেল স্থাপন করে প্রতিষ্ঠা করা হবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরম্নম। ২০ হাজার ৫০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরম্নম তৈরির প্রকল্পের জন্য নেয়া হয়েছে ৩২৫ কোটি টাকার প্রকল্প। ইতোমধ্যেই প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক। বিদু্যতবিহীন ৭ হাজার ৪১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় সোলার প্যানেল স্থাপন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরম্নম প্রতিষ্ঠায় নেয়া হয়েছে ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্প। এই প্রকল্পে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরম্নম তৈরির ব্যয় ছাড়াও প্রতিটি শিৰা প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। সরকারের এই প্রকল্পকে ব্যতিক্রম ও যুগানত্মকারী হিসেবে অভিহিত করেছেন সংশিস্নষ্ট সকলেই। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিৰা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নোমান উর রশীদ বলেছেন, শিৰানীতি ও ভিশন ২০২১ বাসত্মবায়নের আলোকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির শিৰা সারাদেশে দ্রম্নত সম্প্রসারণ করতে হবে। প্রাথমিক থেকে শিৰার উচ্চতর সত্মর পর্যনত্ম কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি শিৰার ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে হবে।

সেই লৰ্যেই সরকারের এই উদ্যোগ। তিনি বলেন, শিৰানীতিতেও যত দ্রম্নত সম্ভব শিৰার্থীদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি শিৰা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, শিৰাথর্ীদের তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) শিৰায় শিৰিত করা, শ্রেণী শিৰণকে আকর্ষণীয় করা এবং শহর ও গ্রামের শিৰার বৈষম্য দূর হবে যুগানত্মকারী এই উদ্যোগের ফলে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে আমাদের পুরো শিৰা ব্যবস্থার ওপর।
প্রাথমিক শিৰা অধিদফতরের মহাপরিচালক শ্যামল কানত্মি ঘোষ জনকণ্ঠকে বললেন, এই উদ্যোগের সুফল সম্পর্কে। তিনি বললেন, সব মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১০ হাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া ও অন্যান্য শিৰা উপকরণ বিনামূল্যে সরবরাহ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিৰার্থীরা শ্রেণী কৰে একটি বিষয় শোনার সঙ্গে সঙ্গে প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেখতে পারবে। এর ফলে শিৰা শিশুদের কাছে যেমন আকর্ষণীয় হবে তেমনি সহজে শিৰা আয়ত্তও করতে পারবে শিশুরা। এদিকে সরকারের এই উদ্যোগকে অভিনন্দন জানিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি করতে পরলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে আরেকধাপ এগিয়ে যাবে দেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে এটি হবে একটি মাইলফলক।

Friday, October 23, 2015

কোন ধর্মই সংঘর্ষ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ সমর্থন করে নাঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কোন ধর্মই সংঘর্ষ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ সমর্থন করে নাঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার কোন সংঘর্ষ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ চান না। বরং সরকার চায় সকল ধর্মের মানুষ তার নিজ বিশ্বাস ও মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকবে।
শেখ হাসিনা বলেন, কোন ধর্মই সংঘর্ষ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- সমর্থন করে না। কিছু লোকের মধ্যে খারাপ মনোভাব রয়েছে। ফলে আমরা চাই জনগণ কুপ্রবৃত্তি থেকে মুক্ত থাকবেন। তারা একে অন্যকে সম্মান দেবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই বিশ্বাসই সকলের জন্য সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির এবং ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনে দুর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের উদ্দেশে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির এবং পরে ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দেব, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ সাহা মনি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ধর্মের লোক এই দেশে ভ্রাতৃত্বের চেতনায় এক সঙ্গে বসবাস করছে। তিনি বলেন,আপনারা সকলে এই মাটির সন্তান। সুতরাং আপনারা আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদার সঙ্গে এখানে বসবাস করবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল সদস্যকে তাঁর শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সকলের।
শেখ হাসিনা বলেন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তাঁর সরকার ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। তিনি বলেন, একইভাবে আমরা প্রতিটি ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করেছি।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সংবিধানের চার মৌল নীতির অন্যতম ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দেয়া হয়।

তিনি বলেন, একটি পরিবারকে নির্মূল করাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার লক্ষ্য ছিল না, এ হত্যাকা-ের মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে তাঁর সরকার ক্ষমতায় এসে সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে। তিনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়।
শেখ হাসিনা বলেন, খুবই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দেশব্যাপী পূজা উদযাপিত হচ্ছে। দুর্গাপূজার এই উৎসবে অন্য ধর্মের লোকরাও যোগ দিচ্ছে। শান্তিপূর্ণভাবে এই উৎসব উদযাপনের সহযোগিতা করার জন্য তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সদস্য ও স্থানীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সকল ধর্মের মানুষ দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে এবং স্বাধীনতা অর্জনে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়া। আমরা সেই লক্ষ্য অর্জনে আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে দেশ অনেকদূর এগিয়ে গেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ায় একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশের অর্থনীতি দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে।
তিনি দেশের সকল ধর্মের মানুষের সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জীবন কামনা করেন। তিনি বলেন, আমরা মানবতার বিজয় কামনা করছি।

experimental process of registering mobile SIM biometric

Prime Minister's Information and Communication Technology Affairs Adviser Sajeeb Wazed Joy inaugurated experimental process of registering mobile SIM biometrically at Posts and Telecommunications Division this morning. 
The adviser inaugurated the process
by becoming the first customer to be registered biometrically of state-owned mobile phone operator Teletalk.
Posts and Telecommunications secretary Md Faizur Rahman Chowdhury and managing director of Teletalk, Md Giasuddin Ahmed handed over the SIM to Joy. The adviser too surprised everyone by paying for it from his wallet. Today Bangladesh became the second country in the world to adopt the biometric system of registering mobile SIM. That is why I am feeling very proud," he said. "I just had some desire and dream to do something for the people of the country by implementing Digital Bangladesh. I just made some advises, you people implemented it. So the credit goes to you," he added.
While speaking on the occasion, State Minister for Posts and Telecommunications Division Advocate Tarana Halim, MP, said the formal process will begin on December 16, with all the mobile phone operators installing the system in their respective outlets.
Lauding the role played by Prime Minister's ICT Affairs Adviser in the development of the relevant sector, the state minister said recently Bangladesh won ITU award for sustainable development in ICT.
After the informal inauguration ceremony, the ICT Affairs Adviser attended a meeting on the progress made in the activities of the division and review of the projects implemented. The meeting was attended by senior officials of the division and concerned departments.

Wednesday, May 8, 2013

নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই, কারও ছবক শুনতে চাই না ॥ প্রধানমন্ত্রী

https://www.facebook.com/pages/Father-of-Nation-Bangabandhu
নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই, কারও ছবক শুনতে চাই না ॥ প্রধানমন্ত্রী
আশুগঞ্জে পাঁচ বিদ্যুত কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
নিজস্ব সংবাদদাতা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২০ জুলাই ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। একটি সমৃদ্ধ আত্ম-নির্ভরশীল জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই। আমরা কারও ছবক শুনতে চাই না। আওয়ামী লীগের দুর্ভাগ্য হল ক্ষয়িষ্ণু অবস্থায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। তারপর দেশের উন্নয়ন করতে হয়। ’৯৬ সালে যখন আমরা ক্ষমতায় আসি তখনও দেশ বিধ্বস্ত অবস্থায় ছিল। আমরা ৫ বছর উন্নয়ন কাজ করেছি। যখন ক্ষমতা হস্তান্তরের পর বিএনপি ক্ষমতায় এসে দুর্নীতি আর লুটপাটে মত্ত থাকে। ক্ষমতায় এসে জঞ্জাল পরিষ্কার করি। তিনি বলেন, এতোগুলো প্রাইভেট চ্যানেল ছিল না। সাংবাদিক শিল্পীসহ নানা শ্রেণী মানুষের চাকরি সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির কারণে দেশকে নরকে পরিণত করে। তিনি শনিবার ব্রাক্ষণয়াড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার ষ্টেশন কোম্পানির ৫৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুত কেন্দ্র উদ্বোধন ও ১৩০১ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ৫টি বিদ্যুত কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে কি দিয়েছে? ৫শ’ জায়গায় বোমা হামলা করেছে। বিরোধীদলীয় নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নিজের ছেলেকে কি শিক্ষা দিয়েছেন? উনি উনার ছেলেকে দিয়ে গ্রেনেড হামলা করে আইভি রহমানসহ অনেককে হত্যা করেছিল। আমাকেও হত্যার চেষ্টা করেছিল। আহসান উল্লাহ মাস্টার ও এসএএমএম কিবরিয়াসহ ৪জন এমপিকে হত্যা করেছিল। আমরা এসব কঠোর হস্তে দমন করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতাবিরোধী শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী ও আব্দুল আলীমকে মন্ত্রী বানিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুনর্বাসিত করেছিল। পরবর্তীতে তাঁর স্ত্রী বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়ে স্বাধীনতাবিরোধী নিজামী-মুজাহিদকে মন্ত্রী বানিয়ে পুরস্কৃত করেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চেষ্টা করছে। জাতির পিতা দেশকে উন্নত করার জন্য যখন প্রচেষ্টা চালান তখন তাঁকে হত্যা করা হয়। খুনিরা এ হত্যাকা-ের বিচার বন্ধ রাখেন। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছি। তা অব্যাহত থাকবে। কেউ এ বিচার বন্ধ করতে পারবে না। বাংলাদেশ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হেফাজতে ইসলাম প্রসঙ্গে বলেন, হেফাজতে ইসলাম ইসলামের কথা বলে মসজিদে আগুন দিয়েছে, কোরান শরীফ জ্বালিয়ে দিয়েছে। বিশ্বের কোথাও এক সঙ্গে এত কোরান শরীফ পোড়ানোর ঘটনার নজির নেই। জামায়াত-বিএনপির ও হেফাজত মিলে এসব কোরান শরীফ পোড়ায়। তিনি প্রশ্ন রাখেন তারা কি করে ইসলামের হেফাজত করবে? ৫ মে হেফাজতে ইসলাম যে তান্ডব চালিয়েছিল তা নজিরবিহীন। সারা দেশে মানুষ সে দিন আতঙ্কিত ছিল। তখন আমি বলেছি কি ভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় আমার জানা আছে? র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি হেফাজতের সঙ্গেই হেফাজত কর্মীদেরকে সরিয়ে দিয়েছিল। অথচ তারা মিথ্যাচার করে বলছে, যে শাপলা চত্বরে আড়াই হাজার লোক হত্যা করা হয়েছে। অথচ তারা এ সংক্রান্ত কোন তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ৯ হাজার মেগাওয়াট ্িবদ্যুত উৎপাদন করেছি। উৎপাদন ছাড়া দেশ উন্নত হয় না। ভারত থেকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত ক্রয় করেছি আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত ক্রয় করব। নেপাল ভারত থেকে বিদ্যুত আনব। সূর্যের আলো থেকে অর্থাৎ সোলার সিস্টেম ৩০ লাখ গ্রাহক সৃষ্টি করেছি। যে সব প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুত নেই। প্রধানমন্ত্রী টিআরএর টাকা দিয়ে সোলার সিষ্টেম চালু করার জন্য জনপ্রতিনিধিদের আহবান জানান।
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আমরা যখন সরকারে আসি তখন বিদ্যুত ছিল ৩ হাজার ২শ’ মেগাওয়াট। গত সাড়ে ৪ বছরে ৩ হাজার ৮শ’ ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৫৫টি বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৮ হাজার ৫শ’ ৩৭ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৬শ’ ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত সরবরাহ করেছি। আরও ৩৪টি বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণাধীন। এগুলো থেকে ৬হজার ৯শ’ ৫১ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপন্ন হবে। ৩ হাজার ৯শ’ ৭৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরও ১৯টি বিদ্যুত কেন্দ্রের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অথচ বিএনপি-জামায়াত জোট এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করেনি। চলমান বিদ্যুত কেন্দ্রগুলোও রক্ষণাবেক্ষণ করেনি। ফলে উৎপাদন কমেছে। এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী উপদেষ্টা ড. তৌফিকই ইলাহী চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী এনামূল হক এমপি, আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব) এবি তাজুল ইসলাম এমপি, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট সায়েদুল হক এমপি, এ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এমপি, বিদ্যুত বিভাগের সচিব মনোয়ার ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুত কেন্দ্র উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছি। ভারত থেকে প্রথম পর্যায়ে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত আমদানী শীঘ্রই শুরু হবে। ২ হাজার মেগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুত উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। নেপাল ও ভূটান থেকে বিদ্যুত আমদানী করা হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম চালু করা হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত, দুর্গম ও পাহাড়ী অঞ্চলে প্রায় ১শ’ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বিদ্যুত সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন এবং ৩ লাখ বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। ৩২ লাখ নতুন গ্রাহককে বিদ্যুত দেয়া হয়েছে। দেশের ৬২ শতাংশ মানুষ বিদ্যুত সুবিধার আওতায় এসেছে। গ্যাস উৎপাদন প্রায় ৬শ’ মিলিয়ন ঘনফুট বাড়িয়েছি। বিদ্যুত ও সার উৎপাদন এবং শিল্প কারখানা ও বাসা-বাড়িতে এ গ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে সার্বিক উন্নয়নে আশুগঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র হল আশুগঞ্জ। দক্ষিণ এশিয়ার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে আশুগঞ্জকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বন্দরের উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। ইতোমধ্যেই আশুগঞ্জ বন্দরকে ’পোর্ট অব কল‘ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জ্বালািন গ্যাস প্রসঙ্গে বলেন, সিলিন্ডার গ্যাস বেশি বেশি উৎপাদন করে সাশ্রয়ী মূল্যে মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে।

Monday, December 12, 2011

HUJI JAMAT BNP wants to kill Sheikh Hasina


It was 5.23 pm on 21st august 2004 when Awami League chief Sheikh Hasina was wrapping up a rally protesting Sylhet blasts. A wave of grenade attacks on her left at least 16 people killed and left around 200 persons critically injured including top Awami League leaders Abdur Razzak, Amir Hossain Amu, Suranjit Sengupta, Ivy Rahman and Kazi Zafarullah.The party secretary on Women affairs Ivy Rahman died in the Hospital later in the day. The unknown assailants fired seven bullets at the bulletproof SUV that Hasina boarded immediately after the blast.The unusually poor deployment of police at the rally and the absence of forces on nearby building rooftops are a remarkable deviation from the usual practice.
Motaher Hossain, general secretary of AL Krishak League said some people on the roof of Ramna hotel and adjacent building were throwing bombs. At least 13 grenades exploded one after another, and also who were present on the spot told a white Microbus carried of some injured person who were among the assailant and were wounded by their own bomb.Blame game started at the very moment Hasina spoke out loud about government’s conspiracy to kill the remaining member of Bangabandhu Sheikh Mujiber Rahman’s remaining family members, BNP leaders hold back and Abdul Mannan Bhuiyan commented that they have blamed the government out of emotion. But soon BNP leaders changed their tone and started to blame AL for attacking their own rally, they argued AL had done it to destabilize the country and discredit the government only to grab the power.Fiction and conspiracy theories were put forward by various columnists in the media. Pro Awami columnists blamed the fundamentalist forces and the right wing coalition government for this attack while pro BNP columnists blamed AL and pointed finger towards the country’s biggest neighbor India.
However most columnists inclined towards Awami league and left parties and leaders and activists of these parties discovered a pattern in the bomb blasts. In most cases secular forces and those who believe in culture, tradition and democratic values had been the target. The same group was behind the attack on Hasina’s rally.Those pro BNP columnists pick up the same incident and argued Hasina was not the target of those assailants, if she were their target then why none of those grenades fall on the truck and also wrote thousand pages about AL’s possible motive behind this?
Some suspected it as a plot by international Muslim extremist groups; some pointed towards the association of ISI (Inter Services Intelligence); while Jamaat leader Matiur Rahman Nizami believes it is the work of “well known enemies of Islam” who masterminded, through various covert organizations, to carry out such brutal murders.It became increasingly hard to dig out the truth from these fictions. With conspiracy theories you can use any piece of evidence to either prove or disprove your opinion and you can pick up any particular incident to strengthen your position. Truth has many faces but with conspiracy theory all you can achieve is a thousand shade of the truth and all these are equally probable and could be equally false. In this present regime we have finally a charge sheet that clearly indicates Awami Leagues position is correct in this issue, RAB and other government intelligence agency finally concluded that Islamic militants are behind this attack and also a small fraction of BNP activists patronized this attack.But is it the whole truth or only a facade? Lets look at the proceedings of the investigations.To investigate 21st August 2004 bomb blast then BNP government first employed metropolitan police’s detective branch to investigate this incident, then this case was handed over to the criminal investigation department of Bangladesh Police. Five investigating officer under 3 officers in charge investigated this incident for over 4 years and they had submitted two charge sheet contradicting each other.
What is the progress in this case? When ever you ask this question to a law enforcement officer, a certain reply will be that “we are still investigating this matter. We had some lead but for the sake of this on going investigation we can not tell you anything.” Even after submitting charge sheet against 22 person in June 11, 2008 and acquitting all other person found guilty (on the first charge sheet presented by the CID), still the investigation has not been closed. So far we have 2 persons who claimed that they had actively participated in this failed assassination. On 26th June, 2005 Joj Miah from Noakhali confessed to police that for 5000 taka he carried out this attack under the order of Subrata Bain, a top terrorist. Subrata Bain and his group had close ties with some notorious AL leaders and they fled to India after alliance government took over the state in October 2001. He confessed to a magistrate that he had never seen any grenade before but Subrata Bain, Joy, Molla Masud ordered him to participate in this assassination. ASP of Police [CID] Abdur Rashid was the investigation officer then.
But the government were not satisfied with this finding so led by Munsi Atikur Rahman the investigation continued. The investigation found a paved path established by the coalition government.So far we have two investigation reports, one of them was by Justice Jaynul Abedin, chairman of the one man investigation committee formed by the government to investigate 21st august grenade attack on Awami leagues rally. Awami League has rejected this report claiming it lacks neutrality. And another one was submitted by the Supreme Court Bar Association. According to Moudud Ahmed, who was Law minister at that time, claimed that this inquiry committee is illegal.
Jaynul Abedin’s investigation report:
Justice Jaynul Abedin had submitted his 162 pages manuscript of coalition governments collective story on 2nd October 2004. He was the member and chairman of one man inquiry committee formed by the government to investigate the grenade attack on Awami League rally on 21st august. On the eve of this submission those authorities in concern had invited journalist to give some insight of the report. After scrutiny, critical and painstaking analysis, Jaynul Abedin did omit the possibility that coalition government and his ally, some extremist religious group and a part of Awami League was behind this heinous attack on Awami League activists.But he did claim with certainty that a foreign intelligence agency actively participated in this event. They trained those assailants and equipped them with necessary ammunitions. He described this event on that informal press conference, “this incident is a naked attack on the independence and sovereignty of the country.”
Because Jaynul Abedin was a BNP activist in the past, Awami League questioned the neutrality of the investigation committee. Even though 123 people given their statement to this committee but that does not include Sheikh Hasina, who was the prime target of this massacre. Sheikh Hasina rejected the call for her statement.In that one and half hour informal briefing on the report prior to its submission Jaynul concluded “the commission may not have received cooperation from all, which may have somewhat hindered the investigation, but the inquiry is in no way incomplete.”Like any other investigation report submitted by any government formed investigation committee it also embraced the fate to remain unpublished till-to-date.
The Supreme Court Bar Association (SCBA) inquiry committee report:
On 22nd august, 2004, immediately after the grenade attack, The Supreme Court Bar Association formed an inquiry committee. Barrister Kamal Hossain was elected as the chairman of that committee and the other members of this committee were Rokonuddin Mahmud, Abdul Malek, Amir-ul-Islam, M Zahir and Muhammad Ayenuddin.
While Hasina wrapped up the rally, at that very moment a grenade went off loud and it was followed by at least 10 such explosions. Awami League leaders formed a human shield to cover Hasina from the splinter, they were injured in this process and soon after they escorted Hasina to her bullet proof SUV and Hasina left for Sudha Sadan, while on the move that SUV was attacked by bullets. Witnesses on their statement confirmed the SCBA inquiry committee that they had not seen any member of the law enforcing agency in action there.
After inspecting the place of occurrence on 27th august 2004 they went to Sudha Sadan, where Hasina assured the committee her full cooperation to find out the truth. Hasina’s security personal and her driver gave their statement to this committee and this committee also inspected the SUV.
Driver on his statement told the committee that he drove towards the east, then took a left turn and then he drove towards Sudha Sadan through zero point. But police officers deployed at the rally on 21st August on their statement said to inquiry committee, SUV carrying Sheikh Hasina away from that place drove westward, took a right turn, and then went to Sudha Sadan through zero point.On 16th, 17th, 18th September the committee watched the video tape recorded by ATN, Channel I and NTV. On ATN video tape they saw a young man purposefully looking towards the multi storied Dhaka City Bhaban. Apart from this, on Channel I and NTV footage some suspicious incidents were seen by the committee members.The inquiry committee sent two letters to Prime Minister Khaleda Zia, requesting her to extend cooperation for the inquiry and to direct the law enforcing agency to cooperate with them in interest of its work. A letter was sent from the inquiry committee to IGP Shahudul Huq on 29 August 2004 requesting him to direct the police authorities to inform the inquiry committee of the number of persons who were deployed for maintaining the law and order in the public meeting on 21st August 2004 with the descriptions of their duties and locations.After 3 weeks another letter was sent to him, requesting for his interview. The inquiry committee requested state minister of home affairs, but all of them turned down their request further more the law minister Moudud Ahmed on several occasion said that this inquiry committee had no legal basis and any report of any such illegal committee should not be recognized.
But the government did inform the SCBA inquiry committee that they had done every thing that is possible for them and sent a copy of the statement made by the State Minister for Home Affairs in the Parliament. In that speech the State Minister mentioned that the police made all out efforts to identify the culprits immediately after the incident and within 24 hours a Judicial Inquiry Commission was constituted with a judge of the Supreme Court as the sole Member. He also mentioned that the Government also arranged for an “international” inquiry into the 21st August incident side by side with Bangladesh police investigation and in response to the Government invitation 3 (three) teams from Interpol visited Bangladesh and helped the inquiry. Besides this, the government had also taken cooperation of FBI of USA.
The SCBA inquiry committee made repeated requests at the highest levels of the government for obtaining copies of reports of earlier bomb-blasts, the report of the ‘judicial inquiry’ into the 21 August, 2004 constituted by the Government, and other documents and information, but such requests have till-to-date were turned down.
The Supreme Court Bar Association (SCBA) inquiry committee concluded it was a pre-planned attack, carried out on the basis of a carefully prepared plan, targeting Sheikh Hasina and other leaders and persons attending the rally. The firing of the bullets and grenades on the vehicle by which she was leaving the place of occurrence, confirms that she was the target.The committee urged government to publish all reports of investigation within one month or else public may lead to believe attempt on Sheikh Hasina’s life was to some extent was patronized by this government.
The alleged HUJI rage against Awami League:
Some columnists claimed in the media that the AL government, after assuming power in 1996 barred Islamic scholars from issuing fatwa’s through a High Court order. The government also came on strong against the right wing protesters and arrested hundreds across the country. This had angered HUJI.
Mufti Abdul Hannan, the operative commander of the banned Harkatul Jihad-al-Islami revealed on 19th November 2006.“I masterminded all grenade attacks across the country excepting the August 21, 2004 gruesome attack on the AL rally, and three people financed the outfit for carrying out the attacks”
Hannan gave another detailed statement on 1st November 2007:“Kajol was given the responsibility to collect funds and grenades for the attack. They decided that 12 persons would carry out the attack and Kajol and Abu Jandal would select the commanders of the operation. It was decided that Kajol and Jandal brief the attackers about their positions and Jandal would throw the first grenade after getting instruction from Sayeed. The others would throw their grenades at around the same time. Hannan said the attackers targeted the truck and left the spot individually after the operation.”
However question remains as why HUJI chose to attack Hasina after all those years and during the period when there was a row of political killings of Awami League leaders (Kibria, Ahsan Master etc.) were happening. HUJI members were used but who masterminded the attack?
The BNP connection:
In January 2008, former deputy minister for information of the BNP government Abdus Salam Pintu was arrested for his involvement with the grenade attacks on Awami League rally on August 21 in 2004. He was arrested on the basis of confessional statement made earlier by detained Mufti Hannan who claimed that the attack on the AL rally was planned at the official residence of the former Deputy Minister. Hannan said that Pintu was present at the meeting and later supplied the grenades.
He made startling disclosure to interrogators about the involvement of former State Minister of Home Lutfuzzaman Babar and ‘Hawa Bhaban’ in the grenade attacks. From The New Nation:
“The CID officer said they were certain after the arrest of Mufti Hannan and Pintu that the attack on the AL rally had been aided and abetted by Lutfuzzaman Babar and the Hawa Bhaban.“To hide the truth, former investigation officer Ruhul Amin, a CID officer, had gone to Pintu’s house several times,” he said, and added, “former State Minister of Home Babar was involved in the entire process and Pintu would regularly inquire with him about the progress.”Pintu’s counsel Advocate Sanaullah Mia, however, told : “He was implicated only because his cousin Maulana Tajul Islam, a militant leader and an accused in the grenade attack case, had visited his house when Pintu was a Minister,”
HUJI is the culprit but who used them and why?
On June 11, 2008 charges were finally made against 22 persons including top Harkat-ul-Jihad (Huji) leader Mufti Abdul Hannan and BNP leader and former deputy minister Abdus Salam Pintu. Newspaper reports say:
“CID Chief Additional Inspector General Jabed Patwari said HUJI top leaders planned and carried out the attacks to kill Hasina as a few arrested attackers said in their confessional statements that Hasina would harm Islam if she was alive and came to power again.BNP leader Pintu is not involved with Huji but he has been charged since the attackers had held two meetings at his residence to take decision about the attack.”
But the question remains whether HUJI tried to kill Hasina on their own or it was a political assassination plot linked by BNP to take out the opposition. Like every other political massacre the 21st August grenade attack on Hasina has no clear motive whatsoever and after 4 years of investigation we are not certain whether those who were behind this ghastly attack have finally been exposed. Will we be able to know the truth? Why always Sheikh Hasina an progressive force like Kazi Aref,Udichi,Ramna Batomul,Progressive Journalists of Khulna( Humayun Kabir,an Others),Poet Shasur Rahman ,Dr Humayun Azad and others were target of terrorists?Why no one of so called nationalist or self styled Islamic force came under attacks of terrorists? What does this mean? These terrorists act as agents of identified beneficiaries to make the politics clean of progressive patriotic democratic forces to serve the interest of the so called nationalists.Bangla Bhai wanted to talk with Journalists before execution to tell the truth but was not allowed.If he could talk he woul definitely have exposed many involve in making him big.In Bangladesh politics of killings will never be over until all killings are fairly an openly tried.
The trial of 21 August grenade attack must be held properlyto punish the real criminals, sponsors and mastermind.Such organised crime can not happen in the heart of the capital city in the broa day light without knowledge and active support of the party in power.People say Ziaur Rahman ha moral support to August 15,1975 mid night massacare .No one shoul be surprised if Babar, Hawa Bhaban and intelligence agencies were actively behind August 21 carnage on Hasina meeting.History will reveal someday.

তিন বছরে আমরা দেশকে জঙ্গিবাদ মুক্ত করেছি, নাটোরে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী


তিন বছরে আমরা দেশকে জঙ্গিবাদ মুক্ত করেছি, নাটোরে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী
জোট মহাজোট শাসনামলের তুলনামূলক বিচার করুন: শেখ হাসিনা
১২ ডিসেম্বর ২০১১, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রবিবার নাটোরে এক বিশাল জনসভায় বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে পাঁচ বছরে দেশকে কী দিয়েছেন? মানুষ হত্যা, সন্ত্রাস, বাংলাভাই, জঙ্গিবাদ এবং দুর্নীতি করে বিদেশে অর্থ পাচার ছাড়া দেশবাসীকে তো কিছুই দিতে পারেননি। ক্ষমতায় থেকে জাতিকে লাশ উপহার দিয়েছেন, আর দুর্নীতি করে নিজেরা সম্পদশালী হয়েছেন। অথচ আমরা মাত্র তিন বছরেই দেশকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত করেছি।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসলেই দেশের মানুষ কিছু পায়, আর বিএনপি-জামায়াত লুটেপুটে খেতে ক্ষমতায় আসে। জনগণের অর্থ-সম্পদ লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচারের দায়ে খালেদা জিয়াকে দেশবাসীর সামনে অবশ্যই জবাব দিতে হবে। দেশবাসীই তার বিচার করবে। বনলতা সেনের স্মৃতিবিজড়িত নাটোরের প্রাণকেন্দ্র কানাইখালী মাঠে সদ্য প্রয়াত জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হানিফ আলী শেখের স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি শান্তিপূর্ণ সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, যে জাতি যুদ্ধ করে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে দেশকে স্বাধীন করতে পারে, সেই জাতি কেন দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে না? তিনি বলেন, দেশের মানুষ নৌকায় ভোট দিয়ে স্বাধীনতা পেয়েছে। ২০০৮ সালের জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর আমরা বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত শান্তিময় করে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি। বিএনপির মতো আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। স্বাধীন জাতি হিসাবে আমরা বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে চাই। দেশের জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে যে গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন, তা যেন পালন করতে পারি সেজন্য আমি দেশবাসীর সহযোগিতা চাই, দোয়া চাই। আমরা দেশকে বিশ্বের বুকে আত্মমর্যাদাশীল হিসাবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
প্রধানমন্ত্রী নাটোরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি গ্যাস সরবরাহের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নাটোরে শিল্প কল-কারখানা গড়ে তুলতে নাটোরে গ্যাসের সংযোগ দেয়া হবে। তিনি নাটোর সদর হাসপাতালকে আড়াই'শ শয্যায় উন্নীত, টিভি উপকেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ স্টেশনে রূপান্তর, নলডাঙ্গা থানাকে উপজেলায় উন্নীত করাসহ বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলে লাখো জনতা গগনবিদারী শ্লোগান ও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানায়।
বিরোধী দলীয় নেত্রীর দুই পুত্রের দুর্নীতির কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হত্যা-খুন, সন্ত্রাস ও আর দুর্নীতি এটাই ছিল বিএনপির নীতি। বিরোধী দলীয় নেত্রীর দুই পুত্রের দুর্নীতি আর বিদেশে অর্থ পাচারের ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। মার্কিন ফেডারেল কোর্টে উঠে এসেছে কীভাবে তাঁর দুই পুত্র দুর্নীতি করে বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পাচার করেছে। সিঙ্গাপুরেরও দুই পুত্রের পাচারকৃত অর্থ ধরা পড়েছে। মার্কিন এফবিআই কর্মকর্তা বাংলাদেশে এসে সাক্ষী দিয়েছে বিরোধী দলীয় নেত্রীর পুত্রের কুকীর্তির কথা। এটা বাংলাদেশের জন্য লজ্জা। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী কী তাঁর পুত্রদের দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও বিদেশে অর্থপাচারের শিক্ষা দিয়েছেন? তাঁর পুত্ররা দেশের মাথা হেঁট করলো তার জবাব কে দেবে?
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বর্তমান সরকারের তিন বছরে সারাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড জনগণের সামনে তুলে ধরে বলেন, বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে জবাব দিতে হবে কেন আওয়ামী লীগ সরকারের ১০টাকার চাল ৪০ টাকা হলো? কেন জঙ্গীবাদ-বাংলা ভাইদের সৃষ্টি করা হলো? কেন একদিনে সারাদেশের ৫শ' স্থানে একযোগে বোমাবাজি হলো? তিনি দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ৫ বছরে এক মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করতে পারেনি। বিদ্যুতের নামে জনগণকে দিয়েছে খাম্বা, আর দুর্নীতি করে বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমরা মাত্র আড়াই বছরে ২ হাজার ৬শ' মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করতে পারলে খালেদা জিয়ারা পারলেন না কেন? বিরোধী দলীয় নেত্রীকে অবশ্যই তার জবাব দিতে হবে। বর্তমান সরকার আসার পর তো দেশে কোথাও জঙ্গিবাদ, বোমাবাজি ও সন্ত্রাস নেই। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে সারাবিশ্বে বাংলাদেশের পরিচয় ছিল জঙ্গিবাদ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও সন্ত্রাসের দেশ হিসাবে। আমরা ক্ষমতায় এসে সেই কলঙ্কের কালিমা মোচন করেছি। সারাবিশ্বে আজ বাংলাদেশ পরিচিতি পাচ্ছে সম্ভাবনার দেশ হিসাবে।
বর্তমান সরকারের সময় দেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষ আজ প্রতিটি নির্বাচনে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারছেন। জনগণ যাকে খুশি ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন, এমন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করেছি। কারণ আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আর গণতন্ত্র ছাড়া কোন দেশের উন্নয়ন হয় না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে। ঈদ, দুর্গাপূজা, বড়দিন, বৌদ্ধ পূর্ণিমাসহ সকল ধর্মের মানুষ অত্যন্ত উত্সবমুখর পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উত্সব পালন করেছে। কোথায় কোন ধরনের ব্যাঘাত ঘটেনি। তিনি বলেন, মাত্র তিন বছরেই আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে যা করেছি, অতীতে কোন সরকার তা করতে পারেনি।
২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উন্নত-সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসাবে পালনের দৃঢ় অঙ্গীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে দেশ সেবার সুযোগ পেলে আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলবোই। যেখানে দেশের কোন মানুষের কষ্ট থাকবে না, উন্নত জীবন পাবে, কেউ গৃহহারা থাকবে না। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে শান্তিময় দেশ হিসাবে গড়ে তুলবোই ইনশাল্লাহ।

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাজেদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এ স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, রাজশাহীর সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুছ এমপি, জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি, ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি, শেফালী মমতাজ এমপি, পংকজ দেবনাথ, কৃষক লীগ নেতা ওহিদুর রহমান, জেলার নেতা আবুল কালাম আজাদ, মিজানুর রহমান, ইসাহাক আলী, আবুল হোসেন প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ও সিরাজুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী রবিবার সকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমীতে যান। সেখানে ২৮তম বিসিএস শিক্ষানবিস সহকারি পুলিশ সুপারদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ, প্যারেড পরিদর্শন ও বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী শিক্ষানবিস সহকারি পুলিশ সুপারদের মধ্যে পদক বিতরণ শেষে তাঁদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। সারদা পুলিশ একাডেমির আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার যোগে আসেন নাটোরে। নাটোরের বড়ভিটায় রাজলঙ্কা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর কানাইখালী মাঠে ভাষণ দেয়ার পর হেলিকপ্টারযোগে সন্ধ্যার আগেই ঢাকায় ফিরে যান।

Saturday, November 5, 2011

যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা থেকে খালেদা জিয়ার সরে আসা উচিত: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা থেকে খালেদা জিয়ার সরে আসা উচিত: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

৪ নভেম্বর ২০১১ | ২০ কার্তিক ১৪১৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিতে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ নির্বাচনই প্রমাণ করে, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে খালেদা জিয়ার অবস্থান জনগণ গ্রহণ করেনি। এ থেকে শিক্ষা নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার অপচেষ্টা থেকে তার সরে আসা উচিত। নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন নিয়ে বিভিন্ন মহলের সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া চেয়েছিলেন সেনাবাহিনী 'ভোট চুরি' করে তার প্রার্থীকে জিতিয়ে দেবে। সেখানে সেনা মোতায়েন না হওয়ায় সংবিধানের লঙ্ঘন কিংবা ব্যত্যয় হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, জাতির জনকের প্রতিকৃতিসহ ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, পবিত্র ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, মোনাজাত ও আলোচনা সভাসহ দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করে।

আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই জন প্রার্থীর মধ্যে একজন বিজয়ী ও আরেকজন দ্বিতীয় হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ১ লাখ ৮০ হাজার ও আরেকজন ৭৮ হাজার ভোট পেয়েছেন। অথচ তার (খালেদা জিয়া) প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৭ হাজার ৭শ' ভোট। ওই নির্বাচনে জনগণের জবাব তিনি পেয়ে গেছেন। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, তার প্রার্থীর এ দুরবস্থ্থা হলো কেন? ভোটের এ

অবস্থা দেখে খালেদা জিয়ার চেতনা আসা উচিত। উনি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য মাঠে নেমেছেন। জনগণ তা গ্রহণ করেনি। এটা দেখে তিনি যেন যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চিন্তা ছেড়ে দেন।

নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, সেখানে কী এমন ঘটনা ঘটল যে, সেনা মোতায়েন করতে হবে? সেনা মোতায়েনের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকেও হঠাৎ চিঠি দিয়ে দেওয়া হলো। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কমিশন যে বৈঠক করল, সেখানে তো সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিকে ডাকেনি কিংবা আলোচনাও করেনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী তথা সরকারপ্রধান সেনাবাহিনীর দায়িত্বে থাকেন। সরকারপ্রধানই সিদ্ধান্ত নেবেন সেনাবাহিনী ব্যারাকের বাইরে যাবে কি-না। কোথাও সেনা মোতায়েন করতে হলেও তার অনুমতি নিতে হয়। এমন একটি সময় নারায়ণগঞ্জে সেনা মোতায়েন চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে, যখন তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ব্যস্ত ছিলেন, দেশের বাইরে ছিলেন। এ প্রসঙ্গে টিভি চ্যানেলের বিভিন্ন টক শোসহ বুদ্ধিজীবীদের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অনেককে টক শোতে দেখি_ কেন সেনা মোতায়েন হলো না তা নিয়ে যেন টিভি ভেঙে ফেলছেন।

নারায়ণগঞ্জ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের মাত্র সাত ঘণ্টা আগে বিএনপির নির্বাচন বর্জনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী মোতায়েন না করায় মাঝরাতে তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। খালেদা জিয়া আশা করেছিলেন, সেনাবাহিনী এসে 'ভোট চুরি' করে তার প্রার্থীকে জিতিয়ে দেবে। সেনাবাহিনীর দায়িত্ব কি ভোট চুরি করা? তিনি কেন সেনাবাহিনীকে ভোট চুরির কাজে ব্যবহার করতে চান? তিনি বলেন, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় বসাবেন_ এ আশায় খালেদা জিয়া এর আগেও ক্ষমতায় থাকতে ৯ জনকে ডিঙিয়ে জেনারেল মইনকে সেনাপ্রধান করলেন। ইয়াজউদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি ও ফখরুদ্দীনকে প্রধান উপদেষ্টা করা হলো। তারা তো তাকে ক্ষমতায় আনতে পারেননি। এগুলো করেও উনার শেষ রক্ষা হলো না। আজ আবার কোন আশায় তিনি সেনাবাহিনীর কথা বলছেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারায়ণগঞ্জে নির্বাচন পরিচালনায় সরকার নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের নির্বাহী সহযোগিতা দিয়েছে। পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য দেওয়া হয়েছে। সংবিধানেই বলা হয়েছে_ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় যা যা সহযোগিতা প্রয়োজন, সরকার নির্বাচন কমিশনকে সেটাই দেবে। সরকার সে অনুযায়ীই কাজ করেছে। কাজেই সেখানে সেনা মোতায়েন না করায় সংবিধানের ব্যত্যয় ঘটেনি।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ২০০৩ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার থাকাকালে এমএ সাঈদ নিজেই সরাসরি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সেনা চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। তখন সেনা মোতায়েন করা হয়নি। সেটা কি তারা ভুলে গেছেন? আজ যারা সংবিধান লঙ্ঘনের কথা বলছেন, তখন তো কেউ এ কথা বলে চিৎকার করেননি।

শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষা করতে চেয়েও পারেননি। যুদ্ধাপরাধী ও ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকারীদেরও তিনি রক্ষা করতে পারবেন না। বাংলার মাটিতে এদের বিচার হবেই।

বিরোধী দলের প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের রক্তের পিপাসা এখনও মেটেনি। পিপাসা মিটাতে তারা একের পর এক মানুষ হত্যা ও খুনখারাবি চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষের শান্তি ও গণতন্ত্রের জন্য এসব অন্যায়ের বিচার করতেই হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর ওপর ভর করে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সবার আগে সেনাবাহিনীর ওপর আঘাত হেনেছেন। দেশকে খুনিদের রাজত্বে পরিণত করেছেন। আর জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে দেশকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের দেশে পরিণত করেছেন। জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির হাতে রক্তেভেজা পতাকা তুলে দিয়েছেন।

সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সঙ্গিনের খোঁচায় পবিত্র সংবিধান অপবিত্র করা হয়েছে। আমরা সেই সংবিধান সংশোধন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জনগণের ক্ষমতায়ন ফিরিয়ে এনেছি। ভবিষ্যতে কেউ যেন জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, তার রক্ষাকবচও সংবিধানে যুক্ত করেছি।

দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লুটেরা-জঙ্গিবাদের মদদদাতা, যুদ্ধাপরাধীরা আর যেন জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, তার জন্য জনগণকেই সজাগ থাকতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে যার যার ভোটের অধিকার রক্ষা করতে হবে। সরকার-প্রতিশ্রুত ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত আধুনিক, সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার পূরণেও জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক এলজিআরডিমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এবং আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক নূহ-উল-আলম লেনিন ও উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।

Tuesday, October 11, 2011

মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে


**মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে বক্তব্যও মাত্র তিন কি চার মিনিট ,প্রমাণ করলেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই

by Mh Roony

**মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে। বক্তব্যও রাখলেন পাশ্চাত্যের নেতাদের মতোই, মাত্র তিন কি চার মিনিট। কিন্তু স্বল্পসময়েই চেনালেন নিজের জাত। প্রমাণ করলেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই।**

আসলেন, বসলেন এবং জয় করলেন সবার মন। হোক না তাঁর পেশা তথ্যপ্রযুক্তির। কিন্তু ধমনীতে যে বইছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের রক্ত। কারণেই অর্ধশত বছরেরও পুরনো ঐতিহ্যবাহী ছাত্রলীগের ২৭তম সম্মেলন শুনে গণভবনে নিশ্চুপ বসে থাকতে পারেননি তারম্নণ্যের প্রতীকে পরিণত হয়ে ওঠা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র পুত্র তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয়

সকলকে অবাক করে রবিবার দুপুরে আকস্মিককভাবেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হন তিনি। মাত্র কয়েক মিনিটেই উদ্বেলিত করলেন সবাইকে। বক্তব্যও রাখলেন পাশ্চাত্যের নেতাদের মতোই, মাত্র তিন কি চার মিনিট। কিন্তু স্বল্পসময়েই চেনালেন নিজের জাত। প্রমাণ করলেন জাতির জনকের যোগ্য উত্তরসূরি তিনিই। কয়েক বাক্যেই যা বলার বললেন সব। তাতে যেমন ছিল দিকনির্দেশনা, তেমনি ছিল দেশ জাতির জন্য কিছু করার বলিষ্ঠ শপথ। এতে জয় করলেন সবার মন

আগে কয়েকটি সভা-সমাবেশ, কর্মিসভা তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সেমিনারে বক্তব্য দিলেও সহযোগী কিংবা কোন ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের জাতীয় সম্মেলনে সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতি বক্তব্য রাখার ঘটনা এই প্রথম। কিন্তু কর্মসূচীর নির্ধারিত বক্তার তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। সকাল সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। চলছিল ধারাবাহিক বক্তৃতার পালা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আগে সর্বশেষ বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কাদের। তখন বেলা পৌনে বারোটা হবে। আকস্মিক সম্মেলনস্থলে উপস্থিত তারম্নণ্যের ঢেউ থেকে শুরম্ন হলো গগনবিদারী সেস্নস্নাগান।সজীব জয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতমসেস্নস্নাগানে মুখরিত হয়ে উঠল বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের পুরো এলাকা

হাজার হাজার ছাত্রলীগ নেতাকমর্ীর তুমুল করতালি সেস্নাগানের মধ্যে সবাইকে অবাক করে দিয়ে আসত্মে আসত্মে সম্মেলনের মূল মঞ্চে উঠলেন নীল শার্ট পরা সুদর্শন সজীব ওয়াজেদ জয়। একটি চেয়ার এনে তাঁকে বসতে দেয়া হলো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পাশে

শুধু উপস্থিত হলেন না, মাত্র / মিনিট বক্তব্য দিয়ে সবার মন জয় করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বক্তৃতার শুরম্নতেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের সফলতা এবং সারাদেশ থেকে আগত নেতাকমর্ীদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। জাতীয় নেতৃত্ব গঠনে ছাত্রলীগের বিশাল ভূমিকার কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র জয় বলেন, ছাত্রলীগের সম্মেলনে এসে আমি আনন্দিত। ডেলিগেটর কাউন্সিলরদের শুভেচ্ছা জানাতেই সম্মেলনে এসেছি

ছাত্রলীগের ২৭তম জাতীয় সম্মেলনের সফলতা কামনা করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে ৰমতায় এসেছে। আমাদের সুযোগ এসেছে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার। তিনি বলেন, ছাত্রলীগই আগামী দিনের ভবিষ্যত। ছাত্রলীগের ভবিষ্যত নেতৃত্ব দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি